রবিউল হাসান, নোয়াখালী:
ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিলেন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মেশকাতুর রহমান। এমন অভিযোগ এনে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন করে এক ভুক্তভোগী।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে এ অভিযোগ করেন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মকবুল আহমদের পুত্র তাজুল ইসলাম।
অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পে একটি ব্রিজ সাবেক কাউন্সিলর তাজুল ইসলামের বাড়ীর সামনে বরাদ্দ হয়। ব্রীজটি একক বাড়ির সামনে বরাদ্দ হওয়ায় বিভিন্ন পত্রিকায় লেখালেখি হয়।
তৎকালীন এ প্রকল্পের পিডি এলাকায় এসে তদন্ত করে এ ব্রীজটি বাতিল করেন। ব্রিজটি পুনরায় বরাদ্দ পাইয়ে দিতে সোনাইমুড়ীর পিআইও ঐ ব্যক্তির কাছ ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে সে ২ ভাগে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। কিন্তু, এখনো এ টাকা ফেরৎ পায়নি ভুক্তভোগী তাজুল ইসলাম। তার মোবাইলে ফোন দিলেও কল ধরেন না।
ভুক্তভোগী তাজুল ইসলাম অভিযোগ করে জানান, তার বাড়ির সামনে বরাদ্দকৃত ব্রিজ বাতিল হয়। পিআইও মেশকাতুর রহমান পুনরায় ব্রিজ পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছে। এখন এই টাকা ফেরত দিচ্ছে না। তালবাহানা করছে।
সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেশকাতুর রহমান বলেন ঘুষ নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, পূর্বেও আমার বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা লেখালেখি করেছে। তাদেরকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা ত্রাণ ও পুনবাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের বক্তব্য নিতে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ সম্পাদিত ও হাজী জসিম উদ্দিন প্রকাশিত