1. info@www.dainikdeshbarta.com : bissho sangbad Online : bissho sangbad Online
  2. info@www.dainikdeshbarta.com : Dainik Desh Barta :
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুল চর্চায় নাগরিক স্বাধীন চেতনার উন্মেষ: নজরুল চর্চায় নাগরিক স্বাধীন চেতনার উন্মেষ চন্দনাইশে জশনে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা:) মাহফিল অনুষ্ঠিত রজায়ী যুব ত্বরিকত কমিটি বাংলাদেশ’র জশনে জুলুছ সম্পন্ন চন্দনাইশে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র উঠান বৈঠক প্রবাসী গিয়াসউদ্দিন সাইফুর স্ত্রী স্বামী কে ভিড়িও কলে রেখে আত্মহত্যা পটিয়ায় পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মেলনে ইদ্রিস মিয়া: বিএনপি সবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে  সীরাত ও মিলাদ আমাদের করণীয় -মুহাম্মদ আকতার উদ্দীন ইউএই বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন  পত্রিকা বিক্রয় প্রতিনিধিকে সাইকেল উপহার দিলো প্রয়াস বোয়ালখালীতে বৈরি আবহাওয়া ও প্রবল বর্ষণ উপেক্ষা করে  জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত

কোনটি আগে——-নির্বাচন,বিচার ও সংস্কার গাজী মুহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল সাবেক এমপি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫
  • ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

একটি রাষ্ট্রের ভিত গড়ে ওঠে তিনটি স্তম্ভের উপর—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। কিন্তু এই তিনটির মধ্যে যদি অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হয়, তাহলে নির্বাচনই সেই প্রথম শর্ত, যা বাকি দুইটির বৈধতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করে।

বিচার তখনই গ্রহণযোগ্য হয়, যখন তা জনগণের সম্মতিতে প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত। আর সেই সম্মতি আসে কোথা থেকে? আসে নির্বাচন থেকে। নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ বলে দেয়—কে তাদের প্রতিনিধি, কে তাদের পক্ষে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করবে। নির্বাচন ছাড়া সেই প্রতিনিধিত্ব আসে কার অনুমতিতে ?

সংস্কার মানে পরিবর্তন। কিন্তু কে বদলাবে, কী বদলাবে, কেন বদলাবে—এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কেবল সেই শাসকের আছে, যিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত। যদি জনগণের অনুমতি ছাড়া কোনো গোষ্ঠী সংস্কার চালায়, তাহলে সেটি হয় স্বৈরশাসনের ছায়া, উন্নয়নের ছদ্মবেশ।

একটি অগণতান্ত্রিক সরকার যদি বিচারব্যবস্থার সংস্কার করে, তাহলে সেই সংস্কার হয় ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার যন্ত্র। কিন্তু একটি নির্বাচিত সরকার যদি বিচার সংস্কার করে, তখন তা হয় জনআস্থা অর্জনের প্রক্রিয়া।

আসলে, নির্বাচন একটি রাষ্ট্রের নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি। এই ভিত্তি ছাড়া বিচার ও সংস্কার, উভয়ই ভেঙে পড়ে। কারণ মানুষের চোখে তখন প্রশ্ন জেগে ওঠে—এই বিচারপতি বা এই আইনপ্রণেতা আসলেন কোন জনমতের ভিত্তিতে?

আজকে যারা “প্রথমে সংস্কার বা বিচার” বলছেন, তারা হয়তো ভুলে গেছেন—নির্বাচনহীন সংস্কার মানেই স্বৈরাচারী প্রলাপ। পাকিস্তান, মিয়ানমার, কিংবা এক সময়ের বাংলাদেশেও দেখা গেছে—নির্বাচনকে পাশ কাটিয়ে চালানো বিচারব্যবস্থা কেবল পক্ষপাত, নিপীড়ন আর রাজনৈতিক প্রতিশোধের অস্ত্র হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো—যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, ইউরোপের দেশগুলো—প্রথমেই নিশ্চিত করেছে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। তারপর এসেছে বিচারসংস্থা স্বাধীনতা, আইন সংস্কার, এবং কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনা।

সুতরাং,বিচার চাই, সংস্কারও চাই—কিন্তু তার আগে চাই নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন।
কারণ, সেই নির্বাচনই নির্ধারণ করবে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি কে, আর কে সেই বিচার ও সংস্কার চালাবে নৈতিক অধিকার নিয়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট