1. info@www.dainikdeshbarta.com : bissho sangbad Online : bissho sangbad Online
  2. info@www.dainikdeshbarta.com : Dainik Desh Barta :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালখালীতে হাওলা মামা-ভাগিনার বার্ষিক ওরছ শরীফ অনুষ্ঠিত প্রবাল এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু মধ্যরাতে প্রবাসীর ঘরে ঢুকে বৃদ্ধ মা–বাবাকে পিটিয়ে আহত নরসিংদীতে হযরত মাবুদুল হক শাহ্ (ক.) হাফেজ নগরী খোজরোজ শরীফ অনুষ্ঠিত বিএনপির অফিসে ভোট চাইলেন হাতপাখার প্রার্থী বোয়ালখালীতে ৫৫ লিটার চোলাই মদসহ বিক্রেতা সেনার হাতে আটক কবিতাঃ ভোটদান – মো. হোসাইন জাকের পটিয়ায় মীর গ্রুপ প্রতিষ্টাতা শিল্পপতি মরহুম মীর আহমদ সওদাগরের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত বোয়ালখালী নির্বাচন অফিসে ঝুলছে গণভোটের প্রচারে ‘হ্যাঁ’ শব্দের বানান ভুলের ফেস্টুন কর্ণফুলী  নদী পরিদর্শনে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান

আমরা রুকু এবং সিজদায় যা যা বলি সেটা নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন কি? হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৭৪ বার পড়া হয়েছে

আমরা রুকুতে বলি “সুবহানা রব্বিয়াল আযীম”। অর্থঃ “আল্লাহ আপনি কতই না পবিত্র এবং আপনি সবচেয়ে শক্তিধর।”

আমরা সিজদায় বলি, “সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’. অর্থঃ ”আল্লাহ আপনি কতই না পবিত্র এবং আপনার মাকাম সবচেয়ে উঁচু”।

নামাজের মধ্যে শারীরিক দিক থেকে সবচেয়ে নড়বড়ে এবং দুর্বল অবস্থানটা হচ্ছে “রুকু”। রুকুতে থাকা অবস্থায় কেউ যদি নামাজরত বান্দাকে হালকা করেও একটা ধাক্কা দেয়, সে ধপাস্‌ করে মাটিতে পড়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। চমৎকার ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা যখন নামাজে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় থাকি, তখন বলি “আল্লাহ আপনি সবচেয়ে শক্তিশালী!” আবার, আমরা যখন নামাজের মধ্যে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকি, তখন আল্লাহকে বলি যে, “আল্লাহ আপনি সবচেয়ে উঁচু!”

সুবহানাল্লাহ! কেবলমাত্র এই কনসেপ্টটা আমাদের নামাজকে অন্য আরেক ডাইমেনশানে নিয়ে যায়! নামাজ পড়তে পড়তে যেখানেই মন চলে যাক না কেন, রুকু আর সিজদাহ দেওয়ার সময় মনে পড়ে যায় যে, “আল্লাহ সবচেয়ে শক্তিধর এবং আল্লাহই সর্বোচ্চ!”

তারপর রুকু থেকে উঠতে উঠতে আমরা বলি – “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” অর্থ: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন, যে তাঁর প্রশংসা করে।”

তারপর পরই দাঁড়িয়ে সোজা হয়ে আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি এবং বলিঃ “রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’ অর্থ, “হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই।” অনেকটা যেন আমাদের কথাগুলি যে আল্লাহ সুবহানাতা’আলা শুনবেন, সেটা নিশ্চিত করে রাখলাম।

বলুন তো ঠিক সিজদায় যাবার আগে কেন এটা নিশ্চিন্ত করে নিলাম যে, আল্লাহ আমার সব কথা শুনবেন?

কারণ, সিজদায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে কাছে চলে যায় এবং সিজদা হচ্ছে দুয়া করার মোক্ষম সময়।

রসূল (সা.) বলেছেন, ‘সিজদারত বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী। সুতরাং সে সময় তোমরা বেশি বেশি দুয়া করো।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৮২)।

তাই আল্লাহর সাথে বান্দার এই মহামিলনের ঠিক আগ মুহূর্তে “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” reminder দিচ্ছে যে, আল্লাহর কাছে যা চাওয়ার সিজদায় গিয়ে উজাড় করে চেয়ে নাও। তিনি তোমার সব আকুতি-মিনতি শুনছেন। একটাও মাটিতে পড়বেনা। প্রতিটা দুয়া রব্বুল আলামিনের দরবারে মেহমান হয়ে পৌঁছাবে।

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আমাদেরকে উপরোক্ত আলোচনা গুলোর প্রতি গুরুত্ব সহকারে আমল করার তাওফিক দান করুন, আমীন।

লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট