1. info@www.dainikdeshbarta.com : bissho sangbad Online : bissho sangbad Online
  2. info@www.dainikdeshbarta.com : Dainik Desh Barta :
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনন্দ-উৎসবে চবি চকরিয়া-পেকুয়া ছাত্র ফোরাম’র নবীনদের বরণ ও প্রবীণদের বিদায় উদযাপন পটিয়ায় প্রথম বারে মত বইপ্রেমী”র একুশে বইমেলা উদ্বোধন শুরু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভা সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণের দাবির সঙ্গে সরকার একমত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী এলাকার উন্নয়নে প্রত্যেক সংসদ সদস্যরা পাবেন ২০ কোটি টাকা প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে ‘সামুদ্রিক সম্পদ’ আহরণ করুন: প্রধানমন্ত্রী নাব্যতা সংকটে কর্ণফুলী নদীতে ফেরী চলাচলে চরম দুর্ভোগে চালক ও যাত্রীরা সবকিছুর আগে আমাদের সবাইকে নিজের মাতৃভাষার চর্চার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে -এ কে এম মকছুদ আহমেদ হাজী আবদুল বাতেন সওদাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবসঃ শাহিদা আকতার জাহান।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

১৯৭২ সাল ২২ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। অনেক আন্দোলন সংগ্রাম’ ও দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর প্রায় ৯১.৫৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর কাছে অনানুষ্ঠানিক ভাবে আত্নসমর্পন করে।ফলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামের একটি নতুন স্বাধীন সার্বতৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। আমারা পাই একটি নিজস্ব লাল সবুজের পতাকা,স্বাধীন রাষ্ট্র।

১৯৪৮ সালের রাষ্টভাষা আন্দোলনের ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলিষ্ঠ নেতারুপে আত্নপ্রকাশ করেন। এবং সেই সূত্রেই তিনি বার বার কারা ভোগ করেন। ১৯৪৮ সালেই রাজনীতি ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু অনেক মর্যাদা লাভ করেছিলেন। তিনি সর্বক্ষণ ব্যয় করেন আওয়ামীলীগ মুসলিম লীগের সাংগঠনিক কাজে। তবে তখন কারা ভোগ করা তার নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। তবু ও নিজের কর্তব্যনিষ্ঠ, থেকে তিনি একটু ও সরে আসেননি। নিজের পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কে ও উদ্বিন্ন হননি,বাইরে আন্দোলন করেছেন ও জনমত গঠন করেছেন। সংগঠনকে আওয়ামী মুসলিম থেকে আওয়ামীলীগ করতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন। এতে ও বার বার কারা ভোগ করতে হয়েছেন। সে জন্য জনগনের সাথে তাঁর অন্তরের স্হান হয়েছে অনেক বেশি।
১৬ই ডিসেম্বর বাঙ্গলী জাতির স্বাধীন স্বওায় বিজয়ানন্দে আত্না প্রতিষ্টিত হওয়ার এক ঐতিহাসিক দিন। তিতুমীর,সূর্য্য সেন প্রীতিলতা তারা সে দিনের আলোকোজ্জল কিরণ মন্ডিত সূর্যকে জাতীর সামনে নিয়ে আসার জন্য,খুশীময় আত্নহারা আনন্দ মন্ডিত দিনটিকোংলার আবাল বৃদ্ধ বণিতা অবলোকন করার সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়ে নিজেদেরকে আত্যেয়স্বর্গ করেছিলেন। আর তাদের উওরাধিকার হয়ে বঙ্গবন্ধু নীপিড়িত, ভাগ্যবিড়ম্বিত অসহায় এক জাতিকে একত্রিত করে। বুকে তাদের অমিত তেজ সঞ্চরিত করে সসস্ত্র যুদ্ধে অবর্তীণ হয়ে বাঙ্গলী জাতীর হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত করে আনন্দ সাগরে ভাসিয়ে ছিলেন সেই ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ।
আজ বিবেকের কাছে বলতে ইচ্ছে করে, যে কারনে সেদিন ৩০ লক্ষ শহীদ নিজের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলো,যে আশার আলোর তরে ২ লক্ষধিক নির্যাতিত নারী নিজেদের সর্ব সম্পদ সম্ভম হারিয়ে ও প্রাশান্তির নয়ন দৃষ্টিতে সম্নুখে পানে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছিলেন,বঙ্গবন্ধু কন্যা আজ তাদের সেই স্বপ্ন, লালিত চাওয়া অথবা আর্দশের অনেক কিছুই প্রতিফলন প্রতিষ্টিত করতে পেরেছেন। যাতে বলা যায় তাদের আত্নার তৃষা কিছুটুকুন হলে ও প্রশমিত হয়েছে। আজ বিবেকবান মানুষের সামনে এটি সবচাইতে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ানোর কথা ছিলো। কিন্তু রাজনৈতিক লালসা পাথিব লোভ ও স্বার্থের অন্ধকার যেখানে যখন যেমন,সেখানে তখনই তেমন চরিত্রাধিকারী হয়ে – সাধারন্যের কথা বাদই দিলাম, প্রখ্যাত বিখ্যাত ও জগদ্বিখ্যাতরা রাজনীতি ও রাজনৈতিক পরিবেশকে কুলষিত বিষাক্ত, নোংরামি করে দেশটাকে উজাড় উছন্ন করার মহার্যঙ্ঘে নেমে পড়েছে। দেখে দুঃখ জনক ভাবে মনে হয় অনেকে অদ্ভুত এক সার্কাসে নেমেছেন তারা। দেশ, জাতি, মুক্তি যুদ্ধ, স্বাধীনতা, এগুলো যেন অতি তুচ্ছ নগন্য বিষয় তাদের কাছে। এই সার্কাসের সঙরা নানা সময় মুনিরুপে আবর্তিত হয়। একই উদ্দেশ্যে, রঙে বর্ণে বিভিন্নতা থাকলেও প্রকারান্তরে উদ্দেশ্যে থাকে এক। এরা চায় স্বাধীনতার ইতিহাস চেতনা ও লক্ষ্যবস্তকে বিকৃতরুপে উপস্হাপন করে স্বাধীন দেশে স্বাধীনতা বিরোধী আর্দশকে স্বাধীনতার মূলমন্ত্ররুপে মানুষকে গলধকরণ করে “৭১” পূর্ব রাজনৈতিক আর্দশ পূনস্হাপন করে র্ধমীয় দোহায় ও উম্নাদনার মধ্যদিয়ে স্বাধীনতার চেতনা ও আর্দশকে নিশ্চিহ্ন করে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রকাঠামোকে নব্য পাকিস্তানরুপে পূনপ্রতিষ্টিত করা। এই দূস্কর্কমের হেডকোয়াটার হিসাবে বিভিন্ন সময় ও কাল বিভিন্ন দপ্তর ভবনই ব্যবহ্রত হয়েছে। কখন ও বঙ্গভবন কখন ও মগবাজারেরর গোলাম আজমের আস্হানা, কখন ও হাওয়া ভবন। আর এখন লন্ডনের কাশিম বাজার কুঠি খ্যাত ভবনটি। জিয়াউর রহমানের কথিত বোনের বাসায় পাকিস্তানী জেনারেল সহ জামায়াতের বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী চৌধুরী মঈনুদ্দিনদের গোষ্ঠীরা তারেক রহমানের সাথে রুঠিন বৈঠক বসে ষড়যন্ত্রের ডাল বিস্তরের জন্য জামাতিরা শত শত মিলিয়ন পাউন্ড তুলে দেন তারেকের হাতে। বাংলাদেশকে অস্হির ও অস্হীতিশীল করে তোলার জন্য। পাকিস্তানী সন্ত্রাসী ডন দাউদ ইব্রাহিমের গোষ্ঠীরা ও বসেন সেই কুখ্যাত রাজপুত্রের সাথে হাজার কোটি টাকায়। আর সেই রাজপুত্র বিশাল টাকার কিয়দংশ বাংলাদেশে পাঠিয়ে শুরু করেন অপরাজনীতির সব অন্ধ কৌশল। তার টাকার দাপটে রাজনীতির মাঠে থেকে হারিয়ে যাওয়া প্রায়,উৎকৃষ্ট রুপী ঢাল তলোয়ারহীন র্সদারেরা ও তারেকের সূতোর টানে আজ পুতুলের মত বাদর নাচে। আবারা গত নিবার্চনে দেখেছি কেউ কেউ ধানের শীষে জিয়ার আর্দশে নির্বাচনে নেমে জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিচ্ছে,কেউ সংবিধান রচয়িতার গৌরবে গদ গদ করে মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই সংবিধানেরই বিরোধীতা করছেন। কেউ আবার গায়ে মুজিব কোট, দিগন্ত টিভির বদৌলতে জামায়াতের দান করা টুপি মাথায় ও গলায় গামছা ঝুলিয়ে নীতিবাক্য ও সততার বুলি উড়িয়েছেন অথচ ২০/ ২৫ বছর যাবত ব্যাংকের টাকা লুঠ করে তা ফেরত দিতে অনিহা দেখাচ্ছেন,এই হচ্ছে তাদের দেশপ্রেম। কেউ আবার নিজেকে অতীতে খলিফা দাবী করে তারেক জিয়ার তাল পাতার সিপাহি হয়ে একটি আসনের জন্য করুণা ভিক্ষা প্রার্থী হতে এদুয়ার ঐ দুয়ার ঘুরছেন তা সবার জানা আছে। এখন আবার দেখতেছি কেউ মুখের ও শরীরের ওজনের চাইতে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে নিয়ে, বঙ্গবন্ধুর পরিবার পরিজনদেরকে নিয়ে ভারী কথা বার্তা বলতে। নিজেকে জাতীয় নেতার সারিতে দাঁড় করাতে সচেষ্ট হচ্ছেন। আজকের পদচারনা ও কর্মকান্ডে সাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি কথাই মনে পড়ে, তিনি একবার লিখেছিলেন “বেশ্যারা ও একদা সতি ছিল”বোধহয় এর বেশি বলাটা ওদের ব্যপারে প্রয়োজন হবে না।
রব সাহেব, স্বাধীনতার পতাকা উওোলক জাসদের নানা হঠকারি সিদান্তের নায়ক,স্বৈরাচারের দোসর, এবং এরশাদের ভোট বিহীন নিবার্চনের সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা। দেশের রাজনীতির ইতিহাসে গৃহপালিত বিরোধী দলীয় নেতা তাঁকে সেদিনের উপপ্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জম হোসেন সাহেব দিয়ে ছিলেন। ওনাদের নিয়ে বেশি লিখা বাড়িয়ে লাভ নেই।দেশের সকলেই সবকিছু জানে এবং বুঝে। শুধু এটুকুনই বলব, প্রতি ডিসেম্বরের তামাদিতে রাজনীতির আস্হাকুড়ে আর কারা নিমজ্জিত হলেন তা ডাষ্টবিনের ঢাকনা তুললেই দেখা যাবে। বিশদ বলার প্রয়োজন নাই।
১৯৭৫ সালের ১৬ ডিসেম্বরকে বাঙ্গলী জাতির গৌরব গাঁথা বিজয় দিবসকে ৭৫ পরবর্তীতে রাষ্ট্রিয় ব্যবস্হাপনায় খাট ভাবে এবং নতুন অবয়বে জাতীর সামনে উপস্হাপন করা হলো। ততক্ষণে কিন্তু স্বাধীনতার সকল বিপক্ষ শক্তি একযোগে মঞ্চের সামনের সারিতেই অবস্হান নিয়ে দাঁত বের করে তামাশার ক্রোড় অট্টহাসিতে ফেটে পড়তেছিলেন। আর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শিক জনেরা বেদনায় বুকে চেপে পরিহাস এবং উপহাসগুলো হজম করা ছাড়া উপায় খুজে পাচ্ছিলনা। তার অনেক কাল পরে চট্টলার অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, চট্টগ্রামের আলোর প্রদীপ্ত,মরহুম বীর এ বি, এম, মহিউদ্দীন চৌধুরী চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধের “বিজয় মেলা” শুরু করে সারাদেশে তা ছড়িয়ে দিলেন। শুরু হল মুক্তিযুদ্ধের ও বিজয় দিবসের পূনজাগরণ। যে জাগরণ আস্তে আস্তে ধীরলয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক দলকে আবার ও রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্টিত করতে বড় বেশি নিয়ামক শক্তি হিসাবে কাজ করেছিল। আজ ২০২৩ সাল। জাতি বলতে গেলে ১৯৭০ সালের একই পরিবেশে পরিস্হিতি ও একই রাজনৈতিক চেতনায় মত্ত। আবার ও জাতি ৭০ এর মত শুধু মাত্র দু’টি ধারায় বিভক্ত। আজ জাতির সামনে প্রশ্ন ২০২৪ সালে ৭ জানুয়ারি কি সিদান্ত দিবে এদেশের মানুষ?
সূচিত অসংখ্য উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে! এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জাতীয় স্বাধীনতা কি চিরস্হায়ী করবে। নাকি পাকিস্তানী ভাবধারায় আবদ্ধ হয়ে জাতি আগামী প্রজম্নকে কুপমন্ডুক শাসিত একটি অকায্যকর রাষ্ট্রের আশাহীন দুরদৃষ্টিহীন স্বপ্নহীন আতুড় জাতিতে রুপান্তরিত করবে? ১৯৭০ সালের নিবার্চনেরর জয় বাঙ্গলী জাতিকে আত্নপরিচয় জানতে এবং সকলকে এক ও অভিন্ন করতে পেরেছিল বঙ্গবন্ধু। ১৯৭০ এর নির্বাচনের বিজয় ভীরু বাঙ্গলীকে রাতারাতি অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা শব্দটি নিজের করে নেবার মত সাহসী ও বীর বাঙ্গলী রুপে আত্নপ্রতিষ্টিত করে দিতে পেরেছিল। বাঙ্গলী জাতি প্রয়োজনে কোন দিন ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। আশা করা য়ায় ২০২৪ সালে ৭ জানুয়ারি ও বাঙালি জাতি সঠিক সিদ্ধান্ত নিবে। ইতিহাস বারে বারেই সে কথা দৃঢতার সাথে স্বাক্ষ্য দেয়। ৭০এর সংগ্রামে নেতৃত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু। আজ ২০২৩ সালে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই ১৫ বছর ধরে জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে গেছেন এক অতি সম্নানি আসনে। দেশকে তুলে দিয়েছেন উন্নয়নের মহাসড়কে। এদেশ আজ শুধু তাঁর কারনেই বিশ্বের বুকে উন্নয়নের ম্যাজিক, বহিঃবিশ্ব অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছন। অতি সুখের বিষয় সেই পাকিস্তান ও আজ উন্নয়নে বাংলাদেশ হতে চায়,তারা জানতে চাই ৭১ সালের সঠিক ইতিহাস,তারা ও বঙ্গবন্ধুর মতো,শেখ হাসিনার মতো নেতা চাই। শুধু উন্নয়নে নয় শেখ হাসিনা দেশকে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা নিয়ে এসেছেন, বিশ্বের লৌহমানবী হিসেবে আসীন হয়েছেন। তরুণ প্রজম্নকে স্বপ্ন দেখা শিখিয়েছেন এবং দেশ ও জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। উন্নয়নের ফিরিসি দিলে বাহুল্যই হবে শুধু,কারণ অন্ধ বধির লোক ও এখন তা দেখে,শুনে।
এ সফলতার পেছনে ও শুরু হয়েছে এবং অবিরাম চলছে যড়যন্র। পাকিস্তান ঈর্ষান্তিত এবং ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ পাগল। এদেশে তাদের দোষরা এজেন্ট হিসেবে দিনরাত যড়যন্রের জালবুনে যাচ্ছে।পরিনতিতে এরা ১৫ আগষ্ট সৃষ্টি করে বঙ্গবন্ধুকে শিশুপুত্র রাসেলকে সহ স্বপরিবারে হত্যা করল,৩ নভেম্বর জেল খানার অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধেরর সকল শক্তিকে নেতৃত্ব শূন্য করার চেষ্টা করল। এই জেল হত্যার মধ্যদিয়ে জিয়াউর রহমানের ক্ষমতা দখলের পর প্রায় ৩৮ টি ক্যু সংঘঠিত হয়েছে,। চক্রান্ত করে বিমান বাহিনীর অফিসারদের ও তিনি একে একে হত্যা করে ফেললেন। কিন্তু বিধির কি নিয়ম একদিন নিজেই তাঁর চক্রান্তে শিকার হয়ে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে সেনা সদস্যদের হাতেই জিয়া নিহত হলেন। জিয়ার পর আসলেন আরেক সেনাপতি এরশাদ,দূনীতির ষোলকলা পূর্ন করে তবে ক্ষমতা ছাড়লেন। আসলেন আরেক ঘষটি বেগম খালেদা জিয়া। উত্তান হল মীরজাফর পুত্র মিরন বৈশিষ্ট্যের রাজপুত্র তারেক রহমান, সৃষ্টি হল হাওয়া ভবণ। জঙ্গিদের নিয়ে যড়যন্রের ফলশ্রুতিতে হল ২১ আগষ্ট গ্রনেড হামলা। উদ্দেশ্য ছিলো বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগকে নির্বংশ ও নিশ্চিহ্ন কর দিয়ে নিজে আজীবন ক্ষমতা ভোগ করা। এর সবই কিন্তু আওয়ামীলীগ ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সূচিত হওয়া যুদ্ধেরই অংশ। মার্কিন সাংবাদিক লিপ্টশুল্জ তাঁর আনফিনিশড রেভ্যুলুশান বইতে ভাল করে দেখিয়েছেন যে,একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এখন ও শেষ হয়নি, তা এখন ও অসমাপ্ত ভাবে চলছে বাংলাদেশে। এই যুদ্ধের একদিকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এবং অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের সকল বিরোধী শক্তি ও চক্র সমুহ যাদের পেছনে অদৃশ্য আকারে রয়েছে পাকিস্তান,আমেরিকা।
৫৩ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলছে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি এই যুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তির মধ্যদিয়ে চুড়ান্ত বিজয় সাধিত হবে! নাকি আবার ভূল সিদান্তের কারনে কিম্বা অবহেলার কারনে এই দেশ এক অনিশ্চয়তা আর অন্ধকারের পথ ধরবে তা নির্বাচনের পর বলা যাবে। আজ বলতে ইচ্ছে করে”চারিদিকে আজ নাগিনিরা ফেলতেছে নিঃশ্বাস। জেগে উঠো হে তরুন ওরে আগামীর প্রজম্ন। তুলে নাও প্রগতির হাতিয়ার। চুরমার করে দাও সকল জ্বরা, আছে যত জীর্ণতায় ভরা সকল পশ্চাদমূখীতার হউক বিনাশ। তাদের ধ্বংশ স্তুপে দাঁড়িয়ে কর তোমাদের বিজয় উল্লাস,৭ জানুয়ারি যুদ্ধ নহে তো কোন গতানুগতিক নির্বাচনি অধ্যায়। এটি একাত্তরের অসমাপ্ত যুদ্ধের আর একটি অধ্যায়। এ যুদ্ধে বিজয় ছাড়া নেইকো কোন উপায়। নহে কোন আলবদর নহে কোন রাজাকার, নহে আর কোন কুলাঙ্গার। জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও সকল আগাছা করে দাও ছারকার। ২০২৪ সালের ৭ তারিখ দেখা যাবে এই বাংলাদেশ কার।
লেখকঃ কলামিস্ট

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট