1. info@www.dainikdeshbarta.com : bissho sangbad Online : bissho sangbad Online
  2. info@www.dainikdeshbarta.com : Dainik Desh Barta :
শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণের দাবির সঙ্গে সরকার একমত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী এলাকার উন্নয়নে প্রত্যেক সংসদ সদস্যরা পাবেন ২০ কোটি টাকা প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে ‘সামুদ্রিক সম্পদ’ আহরণ করুন: প্রধানমন্ত্রী নাব্যতা সংকটে কর্ণফুলী নদীতে ফেরী চলাচলে চরম দুর্ভোগে চালক ও যাত্রীরা সবকিছুর আগে আমাদের সবাইকে নিজের মাতৃভাষার চর্চার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে -এ কে এম মকছুদ আহমেদ হাজী আবদুল বাতেন সওদাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চন্দনাইশে মকবুলিয়া মাদরাসায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন এরাবিয়ান লিডারশীপ মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগাং’র আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে রাশিয়া, ক্ষুব্ধ ইউক্রেন

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৩৯ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়া শনিবার (০১ এপ্রিল) থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, যদিও ইউক্রেন এটি আটকে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্য দেশ পর্যায়ক্রমে এক মাস করে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। রাশিয়া সর্বশেষ এই দায়িত্ব পেয়েছিল ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, যখন তারা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করেছিল।এর অর্থ, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে এখন এমন এক দেশ আছে, যে দেশের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে একটি আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গত মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত জাতিসংঘের কোনো অঙ্গ প্রতিষ্ঠান নয়।

রাশিয়ার ব্যাপারে ইউক্রেনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, তারা নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি পদে যেতে রাশিয়াকে আটকাতে পারবে না। রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। পরিষদের অপর চারটি স্থায়ী সদস্য দেশ হচ্ছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীন। নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির ভূমিকা মূলত পদ্ধতিগত দায়িত্ব পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে জাতিসংঘে রাশিয়ার দূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া রুশ বার্তা সংস্থা তাসকে বলেছেন, তিনি নিরাপত্তা পরিষদে কয়েকটি বিতর্ক পরিচালনা করবেন, এর মধ্যে একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত। তিনি বলেন, বর্তমান একক-মেরু-ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থাকে প্রতিস্থাপন করবে যে নতুন বিশ্বব্যবস্থা, সেটি নিয়েও তিনি আলোচনা করবেন।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হিসেবে রাশিয়ার দায়িত্ব গ্রহণকে ‘‘এপ্রিল ফুল’স ডের” সবচেয়ে ‘বাজে রসিকতা’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, আন্তজার্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কাঠামো এখন যেভাবে কাজ করছে, তা যে কতটা গলদপূর্ণ, এটা তাই মনে করিয়ে দিচ্ছে।ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো পডোলিয়াক বলেছেন, ‘এর মাধ্যমে আসলে আন্তর্জাতিক আইন আবারও ধর্ষিত হলো। যারা আরেকটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসী যুদ্ধ চালায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনের সব নিয়ম-কানুন লঙ্ঘন করে, জাতিসংঘ সনদ ধ্বংস করে, পরমাণু নিরাপত্তাকে অবহেলা করে—তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংস্থার নেতৃত্বে থাকতে পারে না।’

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি গত বছর নিরাপত্তা পরিষদকে সংস্কার করা অথবা পুরোপুরি বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এটি রাশিয়ার হামলা বন্ধে বা প্রতিরোধে যথেষ্ট ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদ থেকে রাশিয়ার সদস্যপদ বাতিলেরও আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র তখন বলেছিল, তাদের হাত বাঁধা, কারণ জাতিসংঘ সনদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কোনো স্থায়ী সদস্য দেশকে বাদ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কারিন জ্যাঁ-পিয়ের বলেছিলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, রাশিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ। এই বাস্তবতাকে পরিবর্তন করার কোনো রকম সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক আইনি পথ নেই।’ তিনি এ-ও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশংকা করে মস্কো ‘নিরাপত্তা পরিষদে তাদের আসনকে কাজে লাগিয়ে মিথ্যে তথ্য ছড়ানো অব্যাহত রাখবে এবং ইউক্রেনে তাদের চালানো কাজ-কর্মের পক্ষে সাফাই গেয়ে যাবে।’

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী আসনে আছে পাঁচটি দেশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে যেসব দেশ ক্ষমতাধর ছিল, তাদের প্রাধান্য দিয়েই গঠন করা হয়েছে এই পরিষদ। স্থায়ী সদস্যদের পাশাপাশি পরিষদে আছে ১০টি অস্থায়ী সদস্যপদ। রাশিয়া যেহেতু নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য, তাই যে কোনো প্রস্তাব তারা নাকচ করে দিতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদে কোনো প্রস্তাব পাশ হতে হলে প্রস্তাবের পক্ষে অন্তত ৯টি ভোট পড়তে হয়। তবে কোনো স্থায়ী সদস্য দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিলে সেটি বাতিল হয়ে যাবে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে নিরাপত্তা পরিষদে যে প্রস্তাব আনা হয়েছিল, রাশিয়া সেটিতে ভেটো দেয়। অন্যদিকে চীন, ভারত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এই প্রস্তাবে ভোট দানে বিরত থাকে। সেপ্টেম্বরে আবার আরেকটি প্রস্তাব আনা হয়, যাতে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল অবৈধভাবে রাশিয়া নিজদেশের সীমানাভুক্ত করার যে পদক্ষেপ নেয়, সেটি বাতিলের আহ্বান জানানো হয়। সেবারও রাশিয়া ভেটো দিয়ে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। সেই প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত ছিল ব্রাজিল, চীন, গ্যাবন এবং ভারত।
ছবি : গেটি ইমেজেস

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট