1. info@www.dainikdeshbarta.com : bissho sangbad Online : bissho sangbad Online
  2. info@www.dainikdeshbarta.com : Dainik Desh Barta :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বোয়ালখালীতে শহীদ জিয়া স্মৃতি উন্মুক্ত অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত বোয়ালখালীতে ভেন্টিলেটর ভেঙে ঘরে ঢুকে প্রতিবন্ধী যুবককে মারধর চন্দনাইশের দোহাজারীতে এলডিপি’র নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগদান পটিয়ায় জিরি হাজী মীর আহম্মদ নুর আল কুরাআন একাডেমীর সাধারন সভা কুতুবদিয়ায় হযরত মালেক শাহ্ (রাহ:) ২৬তম মহান পবিত্র ওরস ও ফাতিহা শরীফ উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ৬০০ গ্রাম গাঁজাসহ বোয়ালখালীতে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার সোনাইমুড়ীতে অস্ত্রসহ ১৬ মামলার আসামী আটক শীতবস্ত্র বিতরণকালে সিডিএ’র বোর্ড মেম্বার প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম শীতার্ত মানুষের আস্থার ঠিকানা প্রয়াস বোয়ালখালী স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে চবি ভর্তি পরীক্ষার্থীদের ফ্রি বাস সার্ভিস বর্ণাঢ্য আয়োজনে শেষ হলো প্রত্যয় সাংস্কৃতিক উৎসব

আমরা রুকু এবং সিজদায় যা যা বলি সেটা নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন কি? হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৫৪ বার পড়া হয়েছে

আমরা রুকুতে বলি “সুবহানা রব্বিয়াল আযীম”। অর্থঃ “আল্লাহ আপনি কতই না পবিত্র এবং আপনি সবচেয়ে শক্তিধর।”

আমরা সিজদায় বলি, “সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা’. অর্থঃ ”আল্লাহ আপনি কতই না পবিত্র এবং আপনার মাকাম সবচেয়ে উঁচু”।

নামাজের মধ্যে শারীরিক দিক থেকে সবচেয়ে নড়বড়ে এবং দুর্বল অবস্থানটা হচ্ছে “রুকু”। রুকুতে থাকা অবস্থায় কেউ যদি নামাজরত বান্দাকে হালকা করেও একটা ধাক্কা দেয়, সে ধপাস্‌ করে মাটিতে পড়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। চমৎকার ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা যখন নামাজে সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় থাকি, তখন বলি “আল্লাহ আপনি সবচেয়ে শক্তিশালী!” আবার, আমরা যখন নামাজের মধ্যে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে থাকি, তখন আল্লাহকে বলি যে, “আল্লাহ আপনি সবচেয়ে উঁচু!”

সুবহানাল্লাহ! কেবলমাত্র এই কনসেপ্টটা আমাদের নামাজকে অন্য আরেক ডাইমেনশানে নিয়ে যায়! নামাজ পড়তে পড়তে যেখানেই মন চলে যাক না কেন, রুকু আর সিজদাহ দেওয়ার সময় মনে পড়ে যায় যে, “আল্লাহ সবচেয়ে শক্তিধর এবং আল্লাহই সর্বোচ্চ!”

তারপর রুকু থেকে উঠতে উঠতে আমরা বলি – “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” অর্থ: “আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা শোনেন, যে তাঁর প্রশংসা করে।”

তারপর পরই দাঁড়িয়ে সোজা হয়ে আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি এবং বলিঃ “রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’ অর্থ, “হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই।” অনেকটা যেন আমাদের কথাগুলি যে আল্লাহ সুবহানাতা’আলা শুনবেন, সেটা নিশ্চিত করে রাখলাম।

বলুন তো ঠিক সিজদায় যাবার আগে কেন এটা নিশ্চিন্ত করে নিলাম যে, আল্লাহ আমার সব কথা শুনবেন?

কারণ, সিজদায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে কাছে চলে যায় এবং সিজদা হচ্ছে দুয়া করার মোক্ষম সময়।

রসূল (সা.) বলেছেন, ‘সিজদারত বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী। সুতরাং সে সময় তোমরা বেশি বেশি দুয়া করো।’ (মুসলিম, হাদিস : ৪৮২)।

তাই আল্লাহর সাথে বান্দার এই মহামিলনের ঠিক আগ মুহূর্তে “সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” reminder দিচ্ছে যে, আল্লাহর কাছে যা চাওয়ার সিজদায় গিয়ে উজাড় করে চেয়ে নাও। তিনি তোমার সব আকুতি-মিনতি শুনছেন। একটাও মাটিতে পড়বেনা। প্রতিটা দুয়া রব্বুল আলামিনের দরবারে মেহমান হয়ে পৌঁছাবে।

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আমাদেরকে উপরোক্ত আলোচনা গুলোর প্রতি গুরুত্ব সহকারে আমল করার তাওফিক দান করুন, আমীন।

লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট